February 7, 2026, 4:51 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
২০২৬ সালের একুশে পদক পেলেন নয় ব্যক্তি ও এক ব্যান্ড হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদন/ গুম কমেছে, কিন্তু গণগ্রেপ্তার ও জামিন বঞ্চনা নিয়ে নতুন উদ্বেগ ক্ষমতায়নের আড়ালে বিতর্ক—ভোটের রাজনীতিতে নারী প্রশ্ন কতটা প্রান্তিক ! গঙ্গার সঙ্কুচিত স্রোত, বিস্তৃত সংকট/ দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিবেশ ও জীবিকার দ্বিমুখী চাপ রপ্তানিতে ধসের সতর্ক সংকেত: সাত মাসে আয় কমেছে ৫৬ কোটি ডলার অপেশাদার কাজে ন্যুব্জ প্রাথমিক শিক্ষকতা/ নন-প্রফেশনাল চাপেই বার্নআউটের শেষ ধাপে ৯৩ শতাংশ শিক্ষক ঋণ দিয়ে সময় কেনা/অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থনৈতিক দোটানা পূর্বাচলের সরকারি প্লট বরাদ্দ/ হাসিনা ১০ বছর, টিউলিপ ৪, রাদওয়ান-আজমিনার ৭ বছর কারাদণ্ড কুষ্টিয়ায় নির্বাচনী ‘দুধ-গোসল’: নৌকার একনিষ্ঠ কর্মী হয়ে উঠলেন ধানের শীষের নতুন সদস্য! আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১

ভুল চিকিৎসায় পা হারালেন টিটন

জহির রায়হান সোহাগ,চুয়াডাঙ্গা/

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় একটি ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার কারণে বাম পা কেটে ফেলতে হয়েছে টিটন হোসেন নামে এক রোগীর। 

 

ওই ঘটনায় আজ সোমবার সকাল ১০টার দিকে ওই ক্লিনিক মালিকের বিরুদ্ধে আলমডাঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী টিটন হোসেন। 

 

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই মাস পূর্বে সড়ক দুর্ঘটনায় আলমডাঙ্গার পোলতাডাঙ্গা গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে টিটন হোসেনের (২৯) বাম পায়ের হাড় ভেঙে যায়।  তাকে দ্রুত উদ্ধার করে আলমডাঙ্গার ফাতেমা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। ওই সময় ক্লিনিক মালিক তার পায়ের পাতা  থেকে সমস্ত পা ব্যান্ডেস করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।  ৩ দিন পর আসতে বলেন অপারেশন করতে।  বাড়ি গিয়ে দুইদিনের মাথায় অসহ্য ব্যথা সহ্য করতে না পেরে তিনি ফাতেমা ক্লিনিকে ছুটে যান। ওই সময় ক্লিনিক মালিক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু তাকে রাজশাহী গিয়ে বড় ডাক্তার দিয়ে অপারেশন করাতে বলেন। তার পরামর্শ অনুযায়ী রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন টিটন। সেখানে চিকিৎসকরা ব্যান্ডেজ খুলে দেখেন পায়ের মাংস পঁচে গেছে। অবশেষে চিকিৎসকরা উপায়ান্তর না পেয়ে তার বাম পা কেটে ফেলেন।  প্রথমেই ভেঙে যাওয়া পা ভালোভাবে ড্রেসিং করে ব্যান্ডেজ করলে এমন সর্বনাশ হতো না বলে জানান সেখানকার চিকিৎসকরা। 

 

ভুক্তভোগী টিটন হোসেন জানান, রাজশাহী থেকে বাড়ি ফিরে ওই ঘটনা ক্লিনিক মালিককে জানালে তিনি ক্ষতিপূরণ হিসেবে আজীবন সহযোগিতার আশ্বাস দেন।  কিন্তু তিনি প্রতিশ্রুতি রাখেননি।  বাধ্য হয়ে গত ১৭ এপ্রিল তার ক্লিনিকে উপস্থিত হলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে তাড়িয়ে দেন।   তাই আমি ফাতেমা ক্লিনিক মালিক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জুর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। 

 

এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবীর জানান, ভুক্তভোগী টিটন একটি অভিযোগ দিয়েছেন।  বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

MonTueWedThuFriSatSun
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net